Home | Webmail | Contact        

 
South Asia Social Forum
 
 
South Asia Social Forum
 
 
  • Success Story: Ajlema Lights up Her Life and Wins `Golden Talent Award 2011 by Heifer International
    2012-09-03

read more>

 
 
 
 

Tender Schedule & Documents-AVCBP II
Download

Profile March 2017
Download

Annual Report 2014-2015
Download

WAVE Barta 6th Issu
Download

Microfinance and Women Empowerment: Measuring the Access and Control over Loan Use and Resources
Download

Great Story for Golden Talent Award 2014_WF
Download

 
 
    
 

বিশ্বব্যাপী যুদ্ধ বন্ধ ও শান্তির পক্ষে বাংলাদেশে স্বাক্ষর ক্যাম্পেইন

16-08-2016 | News

বিগত শতাব্দীতে প্রথম ও দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সংঘটিত হওয়ার প্রেক্ষিতে পৃথিবীব্যাপী হত্যা, ধ্বংস, মারণাস্ত্র ও পারমাণবিক বোমার ভয়াবহতা অবলোকন করেছে মানবজাতি। পরবর্র্তীতে বিভিন্ন সময়ে, নানা দেশে এবং এ মুহূর্তে ইরাক, সিরিয়া ও লিবিয়াসহ পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তে দীর্ঘদিন থেকে যুদ্ধ-বিগ্রহ অব্যাহত রয়েছে। এর ফলে, একদিকে যেমন লক্ষ লক্ষ মানুষ মৃত্যুবরণ করছে, অপরদিকে শরণার্থী হয়ে মানবেতর জীবন বেছে নিতে হচ্ছে নারী-শিশু-বৃদ্ধসহ অগণিত মানুষকে। এছাড়াও, বর্তমানে বিশ্বব্যাপী নানা মতাদর্শিক জঙ্গীগোষ্ঠীর নিষ্ঠুর হামলায় হতাহতের ঘটনাও খবরে আসছে প্রায় প্রতিদিনই। আমাদের দেশেও বিগত কয়েক বছর ধরে এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি গুলশান ও শোলাকিয়ায় সংঘটিত জঙ্গী হামলার মাধ্যমে এ নৃশংসতা ও ভয়াবহতা সমগ্র জাতিকে হতচকিত করে দিয়েছে। এসবের ফলে বিনষ্ট হচ্ছে বিশ্বব্যাপী শান্তি ও উন্নয়নের অগ্রযাত্রা। অন্যদিকে দেখা যাচ্ছে, ২০১৫ সালে পৃথিবীর মোট সামরিক ব্যয়ের পরিমাণ ছিল ১.৭ ট্রিলিয়ন ডলার (স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউট, ৫ এপ্রিল ২০১৬), যা আগের বছরের তুলনায় এক শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে এবং এ ব্যয়ের শীর্ষে রয়েছে পৃথিবীর ধনী ও উন্নত দেশসমূহ। যদিও এর কুফল ভোগ করছে পৃথিবীর প্রায় সকল দেশ, বিশেষত উন্নয়নশীল দেশগুলো। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশের জঙ্গী গোষ্ঠীগুলোকে নির্মূল করার উদ্দেশ্যে রাষ্ট্রের উদ্যোগে আইন-শৃংখলা বাহিনীর তৎপরতার পাশাপাশি বিভিন্ন পর্যায়ে মতাদর্শিক ও সামাজিক উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি হয়ে পড়েছে। দেশের ছাত্র-যুব সমাজ যাতে বিপথগামী না হয় সেজন্য তাদের নৈতিক শিক্ষা নিশ্চিত করা এবং ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড বৃদ্ধি করার লক্ষ্যে রাষ্ট্রসহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষকে বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। বিশ্বব্যাপী জঙ্গী হুমকি মোকাবেলায় গৃহীত পদক্ষেপগুলোকে সতর্কতার সাথে পর্যবেক্ষণ করে করণীয় নির্ধারণ করতে হবে। সর্বোপরি যুদ্ধ বন্ধ ও শান্তির পক্ষে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন উদ্যোগের সাথেও সংহতি কার্যক্রমে আমাদের যুক্ত হতে হবে।

পৃথিবীব্যাপী যুদ্ধের বিবিধ অভিজ্ঞতা ও পরিণামের প্রেক্ষাপটে দক্ষিণ কোরিয়াভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংগঠন এইচডব্লিউপিএল (HWPL-Heavenly Culture World Peace Restoration of Light) ও আইপিওয়াইজি (IPYG-International Peace Youth Group) বিশ্বশান্তি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ২০১৩ সালে শান্তি পদযাত্রা আয়োজনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী সকল মানুষের ঐক্যের ডাক দেয়। সেই থেকে বিশ্বব্যাপী নানা এডভোকেসি ও ক্যাম্পেইন কার্যক্রমের ধারাবাহিকতায় এ বছরের মার্চ মাসে এইচডব্লিউপিএল পিস এডভোকেসি কমিটি জাতিসংঘ কর্তৃক একটি আন্তর্জাতিক আইন প্রণয়নের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী �যুদ্ধ বন্ধ ও শান্তির পক্ষে ঘোষণাপত্র�(Declaration of Peace and Cessation of War)-এর একটি প্রস্তাবনা চূড়ান্ত করেছে। জাতিসংঘ চার্টার, আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সনদ এবং সংশ্লিষ্ট সকল আইনকে বিবেচনায় নিয়ে এ ঘোষণাপত্রের ১০টি অনুচ্ছেদে সকল রাষ্ট্রের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলা হয়েছে, ১. রাষ্ট্র অবশ্যই আন্তর্জাতিকসহ সকল ক্ষেত্রে হুমকি ও বলপ্রয়োগের নীতি পরিত্যাগ করবে; ২. রাষ্ট্র মানবতার উন্নয়নে সকল প্রকার যুদ্ধের আশংকা, যুদ্ধাস্ত্র তৈরি, যুদ্ধাস্ত্রের ব্যবসা ও সেনাবাহিনীর সংখ্যা হ্রাসে উদ্যোগ গ্রহণ করবে; ৩. জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সকল রাষ্ট্র পারস্পরিক সৌহার্দ্যমূলক সম্পর্ক বজায় রাখবে এবং সকল প্রকার আগ্রাসন বন্ধ করবে; ৪. প্রতিটি রাষ্ট্র আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত নিজ ভৌগোলিক সীমানা রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামরিক বা অন্যকোনো শক্তি দ্বারা অতিক্রম করবে না; ৫. প্রতিটি রাষ্ট্র ও তার নাগরিকের সায়ত্ত�শাসন ভোগ নিশ্চিত করতে হবে; ৬. প্রতিটি রাষ্ট্র তাদের আন্তর্জাতিক সমস্যাগুলোর সমাধানে আন্তর্জাতিক আদালত, আঞ্চলিক বিচারিকব্যবস্থা কিংবা স্বীকৃত সালিশিব্যবস্থার মতো শান্তিপূর্ণ উপায় অবলম্বণ করবে; ৭. এ ঘোষণাপত্র মানুষের ব্যক্তিগত ও সমষ্টিগত আত্মরক্ষার ব্যবস্থাকে তিরোহিত করবে না, যখন একটি রাষ্ট্র আরেকটি রাষ্ট্র দ্বারা আক্রান্ত হবে। এক্ষেত্রে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদকে বিরোধ মীমাংসায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে; ৮. রাষ্ট্র মানবাধিকার রক্ষা ও বৈষম্য নিরসন, শান্তি ও সহনশীলতার ধারা বজায় রাখতে সকল ধর্ম ও বিশ্বাসের স্বাধীনতা নিশ্চিত করবে। কোনো ব্যক্তি, গোষ্ঠী বা রাষ্ট্র কর্তৃক ধর্মের ব্যবহারের মাধ্যমে সহিংসতা সৃষ্টির প্রয়াস নিষিদ্ধ করতে হবে; ৯. রাষ্ট্র সকল ধর্ম ও জাতিগোষ্ঠীর শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান ত্বরান্বিতকরণে ভূমিকা রাখবে; ১০. রাষ্ট্র তার নাগরিকদের মাঝে শান্তির সংস্কৃতি বিস্তারে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি এ ঘোষণাপত্রের সমর্থনে বিশ্বব্যাপী শান্তি প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে

Documents:
Peace Campaign Leaflet  
Peace Campaign Signature Sheet